যমুনা ফিউচার পার্ক

যমুনা ফিউচার পার্ক

যমুনা ফিউচার পার্ক (Jamuna Future Park) দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ বহুতল শপিং মল হিসাবে পরিচিত। এই নামক শপিং কমপ্লেক্সে বিভিন্ন দেশি এবং বিদেশি ব্র্যান্ডের বিক্রয় কেন্দ্র, ফুডকোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, প্লেয়ারস জোন এবং সুপরিসর কার পার্কিং রয়েছে। ২০০২ সালে যমুনা বিল্ডার্স লিমিটেড প্রায় ৪,১০০,০০ বর্গফুট আয়তনের এই সুবিশাল শপিং কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এই অসাধারণ স্থানটি সফলভাবে খোলা হয়েছে, যা দেশের চেয়েও বড় এবং আধুনিক একটি শপিং ডেস্টিনেশন হিসেবে পরিচিত।

দর্শনার্থীদের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য

যমুনা ফিউচার পার্কে চিত্তবিনোদনের জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য। এখানে আসার জন্য স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক দর্শকরা প্রচুর, এই বিশাল শপিং মলটি তাদের জন্য একটি অদ্ভুত অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এখানে শপিং করার মাঝে মাঝে আপনি দেখতে পারেন কিভাবে একটি মডার্ন এবং আধুনিক বাংলাদেশি শহর হিসেবে ঢাকা উভয় পরিসরে বিকাশ পাচ্ছে।

প্রবেশের সাথে রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা

যমুনা ফিউচার পার্কের দর্শনার্থীরা একেবারে শুরুতেই আকাশছোঁয়া অনুভব করেন। রোলার কোস্টার, পাইরেট শিপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, ফ্লাইং ডিস্কো এবং টাওয়ার চ্যালেঞ্জারের মতো রোমাঞ্চকর রাইডগুলি এই প্রবেশদ্বারে দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়৷ তারা রোমাঞ্চ এবং উদ্দীপনা তৈরি করে দর্শকদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় এবং অনুষ্ঠানস্থলের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এটি একটি ভারী কারণ।

শপিং এবং খাদ্যে আন্তর্ভুক্ত

যমুনা ফিউচার পার্কে শপিং করা একটি স্বান্তঃসম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা। এখানে দেশি এবং বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে, যেগুলি আপনার শপিং প্রাথমিকভাবে পূর্ণ করতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষভাবে, প্রচুর বিকল্প রয়েছে ফুডকোর্টে এবং রেষ্টুরেন্টে, যেগুলি আপনার ভাষা ও রুচিতে প্রয়োজনীয় খাবার সরবরাহ করতে সক্ষম।

বিনোদনের সৃষ্টি:

একটি বড় শপিং কমপ্লেক্স হিসেবে, যমুনা ফিউচার পার্কে সবকিছু থাকতে সুন্দর হোক তা না হোক। ব্লকবাস্টার সিনেমাস, প্লেয়ারস জোন, এবং সুপরিসর কার পার্কিং এমন অত্যন্ত সুযোগগুলি যে, দর্শকদেরকে একটি সৃজনশীল এবং মনোরম অভিজ্ঞতা অভিজ্ঞান করা হয়।

অ্যাট্রাকশনস:

যমুনা ফিউচার পার্কে আছে বিভিন্ন ধরণের আট্রাকশনস, যা দর্শকদের আগ্রহে আসে।

১. শপিং এবং বিনোদনের জগত:

যমুনা ফিউচার পার্কে প্রচুর বিক্রয় কেন্দ্র অবস্থিত, যেগুলি দেশি এবং বিদেশি ব্র্যান্ডের আমুদ, পারফিউম, গারমেন্টস, ইলেকট্রনিক্স, ফুর্নিচার এবং অন্যান্য বিভিন্ন ধরণের পণ্যের জন্য একটি পূর্ণসম্পূর্ণ দোকান হিসেবে দারিদ্র্য বোঝায়। এছাড়া, এই মলে রয়েছে আপনার ভালবাসা ছবি সহ ব্লকবাস্টার সিনেমাস, যা আপনাকে প্রয়োজনে আধুনিক চলচ্চিত্র দেখতে অনুমতি দেয়।

২. খাদ্যের জগত:

খাদ্যকে নিয়ে বিশ্বাস হৃদয় জুড়িয়ে আছে যমুনা ফিউচার পার্ক। এখানে অনেক বিখ্যাত রেষ্টুরেন্ট, ফুডকোর্ট এবং ক্যাফে রয়েছে, যেগুলি আপনার জন্য এক বা অনেক দিন ব্যতিত খোঁজা যায়। যারা স্বাদে এবং খোজে আছেন, তাদের জন্য এই এলাকাটি হতে পারে একটি খাদ্য পর্বশালা।

দেশি বা বিদেশি ব্র্যান্ডের বিক্রয় কেন্দ্র

যমুনা ফিউচার পার্কে বিশাল একটি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে যা আপনার শপিং অভিজ্ঞান একটি নতুন দিকে নিয়ে যাবে। দেশি এবং বিদেশি ব্র্যান্ডের অগাধ সংখ্যক শোরুমে আপনি পাবেন বিভিন্ন ধরনের পণ্যের বিশাল সংগ্রহ।

যমুনা ফিউচার পার্ক
যমুনা ফিউচার পার্ক

চিত্তবিনোদন:

যমুনা ফিউচার পার্কে আপনি তাদের প্রিয় অ্যামিউজমেন্টসে উপভোগ করতে পারেন।

আউটডোর রাইড:

এই পার্কে রয়েছে যমুনা ফিউচার পার্কে রয়েছে ৬টি রোমাঞ্চকর আউটডোর রাইড, যা আপনার জীবনের একটি অদভুত অভিজ্ঞান দেবে। স্কাইড্রপ, রোলার কোস্টার, পাইরেট শিপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, ফ্লাইং ডিসকো ও টাওয়ার চ্যালেঞ্জার এই রাইডগুলি দর্শকদের একমুখী করে তোলে এবং একচেটি মোমেন্ট তৈরি করে।

সুপরিসর জোন:

যমুনা ফিউচার পার্কে একটি পূর্ণসংগ্রহবিত্ত সুপরিসর জোন রয়েছে, যা আপনার গাড়ি পার্ক করার জন্য সুবিধা সৃষ্টি করে। এটি আপনার যাত্রা সুরক্ষিত এবং সহজ করতে সাহায্য করবে, যাতে আপনি শপিং এবং মজা উভয় করতে পারেন।

প্লেয়ারস জোন এবং সুপরিসর কার পার্কিং

যমুনা ফিউচার পার্কে আছে প্লেয়ারস জোন যা আপনার ছেলেমেয়েদের জন্য একটি বিনোদন জায়গা প্রদান করে। এই জোনে আপনি বিভিন্ন মনোরম গেমস এবং আট্রাকশনস পাবেন, যা নিশ্চিতভাবে তাদের আনন্দমূলক রাত্রি কাটাতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া, সুপরিসর কার পার্কিং একটি সুরক্ষিত এবং সুবিধাজনক পার্কিং অপশন প্রদান করে তাদের যাতায়াতের জন্য।

সকল বাচ্চার জন্য বিশেষ:

যমুনা ফিউচার পার্ক ছোট থেকে বড় সকল দর্শকের জন্য আমোদপ্রদ এবং মজার আউটডোর এবং ইনডোর আট্রাকশনস দিয়ে একটি পূর্ণসম্পূর্ণ পার্ক। বাচ্চাদের জন্য এই পার্কটি একটি শীর্ষ নির্বাচন।

যমুনা ফিউচার পার্কের সময়সূচী

যমুনা ফিউচার পার্ক বুধবার বন্ধ থাকে। এছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

যোগাযোগ
ক-২৪৪, কুড়িল, প্রগতি সরণি, বারিধারা
ফোন: ৮৪১৬০৫১-২
মোবাইল: ০১৯৩৭-৪০০২০৫ থেকে ২২ পর্যন্ত
ওয়েবসাইট: www.jamunafuturepark.com

Similar Posts

  • ফরিদপুর পৌর শেখ রাসেল শিশুপার্ক

    ফরিদপুর জেলা শহরের গোয়ালচামট নামক স্থানে প্রায় ১৪ একর জায়গাজুড়ে অবাক করা একটি পার্ক উদ্ভাবন করা হয়েছে – ফরিদপুর পৌর শেখ রাসেল শিশুপার্ক। এই পার্কটি ২০১৪ সালে নির্মিত হয়েছিল এবং এর মাধ্যমে ফরিদপুরের জনগণ নিজেদের জন্য একটি অলৌকিক বিনোদন মাধ্যম পেতে পেরেছে। এই পোস্টে আমরা ফরিদপুর পৌর শেখ রাসেল শিশুপার্কের প্রতিটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য এবং আকর্ষণীয়…

  • মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র

    পরিচিতি বাংলা সাহিত্যের মহাকাব্যিক উপন্যাস “বিষাদ সিন্ধু”র রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন ১৮৪৭ সালের ১৩ ই নভেম্বরে কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পূর্বপুরুষ সৈয়দ সাদুল্লাহ বাগদাদ থেকে প্রথমে দিল্লী এবং পরবর্তীতে ফরিদপুর জেলার স্যাকরা গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। মীর মশাররফ হোসেনের শিক্ষাগত জীবন কাটে কুষ্টিয়া, ফরিদপুর এবং কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র:…

  • নিকলী হাওর

    নিকলী হাওর, বাংলাদেশের অদৃশ্য এলাকায় অবস্থিত, একটি প্রাকৃতিক অদ্ভুত স্থান। এই হাওরে প্রবাহিত জলের পারদেশী দৃশ্য, স্বচ্ছ জল, ছোট গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, এবং মুখোমুখি কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত নিকলি উপজেলা এসেছে একটি অদ্ভুত ভ্রমণের অপরূপ অভিজ্ঞতা। যদি আপনি নিকলী হাওরে একটি নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর আনন্দ পেতে চান, তবে এই পোস্টটি আপনার জন্যে একটি পরিপূর্ণ গাইড হতে…

  • ঝিটকার সরিষা ক্ষেত

    মানিকগঞ্জ জেলার ঝিটকা, বাংলাদেশের একটি অপরূপ স্থান, যেখানে সরিষা ক্ষেতের অসাধারণ সৌন্দর্যের আবির্ভাব হয়েছে। এই ঝিটকার সরিষা ক্ষেত থেকে রাজধানী ঢাকা এসে তাজা খেজুরের রসে ভিগা নিতে এবং প্রাকৃতিক উৎসবে অংশ হতে চাইলে, তাদের জন্য এই পোস্টটি পড়তে উৎসাহিত হোন। এখানে আমরা জানবো কেন ঝিটকা এবং তার সরিষা ক্ষেত একটি অদৃশ্য জোড়া, এবং কেমন একটি…

  • বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক

    বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক (Bangabandhu Safari Park) গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক ধরে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে অবস্থিত যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অদ্ভুত স্থান। এই সাফারি পার্কটি অবস্থিত সমৃদ্ধ আবাসিক এলাকায় প্রবেশের পার্থক্য করে দিয়েছে, এবং এটি একটি আদর্শ ঘুরে বেড়াবার জায়গা হিসেবে…

  • মত্ত মঠ

    মত্ত মঠ, মানিকগঞ্জ জেলা সদরে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন, জীবন্ত ইতিহাসের কাহিনী। প্রায় আড়াইশত বছর পূর্বে এই মঠটি হেমসেন নামক একজন অত্যাচারী জমিদার তার পিতার শেষকৃত্য স্থলে নির্মিত হয়েছিল। নিটল দিঘির পাড়ে অবস্থিত মঠটি ১৫ শতাংশ জমির উপর নির্মিত, এবং এর উচ্চতা প্রায় ২০০ ফুট উঁচু। মঠের নির্মাণে ইরাক থেকে আনা হয়েছিল কারিগরবৃন্দ। মত্ত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *